বাংলাদেশ কপিরাইট অফিস গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ১০ জুলাই ২০১৮

মাননীয় মন্ত্রী

আসাদুজ্জামান নূর

আসাদুজ্জামান নূর ১৯৪৬ সালের ৩১ অক্টোবর নীলফামারী জেলা সদরে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম আবু নাজেম মোহাম্মদ আলী ও মাতার নাম আমিনা বেগম।

তিনি নীলফামারী মহাবিদ্যালয় থেকে ¯ স্নাতক ডিগ্রী অর্জন করেন। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি বিবাহিত। তাঁর স্ত্রীর নাম ডা: শাহীন আখতার, যিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ব বিদ্যালয়ের একজন অধ্যাপক (শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ও নিউরোলজিষ্ট)। আসাদুজ্জামান নূর এক পুত্র ও এক কন্যা সন্তানের গর্বিত জনক।

তিনি ১৯৭২ সালে বহুল প্রচারিত সাপ্তাহিক চিত্রালীতে কাজ করার মধ্যদিয়ে কর্মজীবন শুরু করেন । ১৯৭৩ সালে একটি বিজ্ঞাপন সংস্থার অধীনে একটি ছাপাখানায় ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭৪ সালে সোভিয়েত দূতাবাসে (বর্তমানে রাশিয়া) প্রেস রিলেশন অফিসার হিসেবে যোগদেন। ১৯৮০ সালে ইস্ট এশিয়াটিক অ্যাডভারটাইজিং লিমিটেড এ (বর্তমানে এশিয়াটিক থ্র্রি সিক্সটি) জেনারেল ম্যানেজার পদে যোগদান করেন। তিনি ১৯৭২ সাল থেকে নাগরিক নাট্য সম্প্রদায়ের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পৃক্ত থেকে বাংলাদেশের নাটকের বিকাশের ধারায় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। এ পর্যন্ত দলের ১৫টি নাটকে ৬০০ বারেরও বেশী অভিনয় করেছেন। তিনি দু’টি নাটকে নির্দেশনা দিয়েছেন। তার মধ্যে একটি দেওয়ান গাজীর কিস্সা-যা প্রায় তিন শতাধিকবার মঞ্চায়িত হয়ে রেকর্ড গড়েছে সর্বোচ্চ মঞ্চ নাটক প্রদর্শনীর। তিনি ১১০ টিরও বেশী টিভি নাটক, সিরিজ নাটকে অভিনয় করেছেন। তন্মধ্যে এইসব দিনরাত্রি, বহুব্রীহি, অয়োময় এবং কোথাও কেউ নেই ইত্যাদি অন্যতম। তাঁর রেডিওতে প্রচারিত নাটকের সংখ্যা ৫০ এর অধিক। তিনি মঞ্চের জন্য ব্রেখটেরে নাটকের বাংলা অনুবাদ, রবীন্দ্রনাথের তিনটি উপন্যাসের টিভি নাট্যরুপ এবং টিভির জন্য একটি মৌলিক নাটক রচনা করেন। তাঁর পুস্তকাকারে প্রকাশিত নাটকের নাম ‘এ মোর অহংকার’ ও ‘দেওয়ান গাজীর কিস্সা’ । তিনি নিজস্ব পরিচালনায় বিজ্ঞাপনী সংস্থার ৫০টিরও বেশী বিজ্ঞাপনচিত্র ও ভিডিও ছবি নির্মাণ করেন। তিনি